অপরাধীকে আল্লাহ যেভাবে শাস্তির আওতায় আনেন
মানব ইতিহাসের সূচনালগ্ন থেকেই অপরাধের অস্তিত্ব রয়েছে। সাধারণ পরিভাষায় সজ্ঞানে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো বড় পাপে লিপ্ত হওয়াকে অপরাধ বলা হয়। তবে এই অপরাধ শুধু মানুষের অধিকার হরণ বা সামাজিক আইনের লঙ্ঘনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মহান স্রষ্টার সঙ্গে কৃত অপরাধ। ইসলামি নীতিশাস্ত্রে স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি কৃত অপরাধের ভয়াবহ পরিণাম এবং জালেমদের প্রতি আল্লাহর বিশেষ অবকাশের নীতি বা ‘ইস্তিদরাজ’ সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। অপরাধের বিভিন্ন রূপ ইসলামের দৃষ্টি
ইসলাম ধর্মানুসারে, আল্লাহ্র সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করা বা শিরক করা সর্বশ্রেষ্ঠ অপরাধ। এছাড়া, নামাজ বা জাকাতের মতো মৌলিক ইবাদত ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করাও আল্লাহর অবাধ্যতা হিসেবে গণ্য হয়। মানুষের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে, অন্যায়ভাবে প্রাণনাশ করাকে সবচেয়ে বড় অপরাধ হিসেবে দেখা হয়, যা কোরআনে কাবিল ও হাবিলের ঘটনার মাধ্যমে চিত্রিত হয়েছে। এই ধরনের অপরাধ, যা পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাকে 'ফাসাদ ফিল আরদ' বলা হয়।
ইসলামি নীতিশাস্ত্রে 'ইস্তিদরাজ' বা খোদায়ী ফাঁদের ধারণা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যখন কোনো জালেম বা অপরাধী ব্যক্তি দেখে যে তার অন্যায় সত্ত্বেও আল্লাহ্ তাকে দুনিয়াতে ধন-সম্পদ ও সম্মান বৃদ্ধি করছেন, তখন এটি তার সংশোধনের সুযোগ না হয়ে বরং অহংকারকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার একটি অবকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়। রাসুল (সা.) এই বিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন, কারণ এটি আল্লাহর কঠিন শাস্তির দিকে ধাবিত করতে পারে।
এই বার্তাটি অপরাধের ইসলামি দৃষ্টিকোণ এবং জালেমদের প্রতি আল্লাহর আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে, যা মুসলিমদের তাদের কর্ম ও বিশ্বাসের প্রতি সতর্ক থাকতে উৎসাহিত করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →