সাফে কেন পারল না বাংলাদেশ, একটি ময়নাতদন্ত
একটি স্বপ্নের মৃত্যু ঘটল। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ দল গোয়ায় পা রেখেছিল, তা শেষ পর্যন্ত পূরণ হলো না। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালায় গত দুই আসরে বাংলাদেশ যে দাপট, আধিপত্য আর শৈল্পিক ফুটবল দিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছিল, এবার গোয়ার মাঠে তার প্রতিফলনও দেখা যায়নি। এই না পারার পেছনে লুকিয়ে আছে অনেক কারণ। অনেকেই হয়তো এবারের আসরের দলটিকে অনভিজ্ঞ বলতে পারেন। দলের সিনিয়র এবং অভিজ্ঞ তারকাদের দল থেকে বাদ দেওয়া বা সাইডলাইনে বসিয়ে রাখাকে
বাংলাদেশ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে গোয়ায় গেলেও তা পূরণ করতে পারেনি। টুর্নামেন্টে দলের ধারাবাহিকতার অভাব এবং কৌশলগত দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল, বিশেষ করে ট্রানজিশন বা আক্রমণ থেকে রক্ষণে রূপান্তরের সময়। অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া বা তাদের ফর্ম হারানো এবং রক্ষণভাগের নড়বড়ে দশা এই ব্যর্থতার অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গোলরক্ষক মিলি আক্তার এশিয়ান কাপের মতো পারফর্ম করতে পারেননি, যা চার ম্যাচে ৯ গোল হজমের কারণ হয়েছে।
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া এবং তরুণ খেলোয়াড়দের উপর নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যদিও এই তরুণ দলটিই এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। কোচ পিটার বাটলার কিছু খেলোয়াড়ের মানসিকতা এবং 'কমফোর্ট জোন' নিয়ে সমালোচনা করেছেন। সেরা গোলরক্ষক রূপনা চাকমাকে সুযোগ না দেওয়া নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যদিও কোচ মিলির ইনজুরি এবং রূপনার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের অভাবকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সাফ শিরোপা হারানো বাংলাদেশের নারী ফুটবলের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উপর একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন তৈরি করেছে এবং দলের কৌশলগত ও খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ সৃষ্টি করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →