বাপ্পারাজ ভাইয়ের কথা শুনে বাসায় গিয়ে হাউমাউ করে কেঁদেছি: মুক্তি
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন ঘিরে এফডিসিপাড়ায় যখন আলোচনা বাড়ছে, তখন একটি সিদ্ধান্তে আবেগপ্রবণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার ঘোষণা দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে আসেন নায়করাজ রাজ্জাকের ছেলে বাপ্পারাজ। আর তাঁর সেই সিদ্ধান্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। মুক্তির মতে, জীবনে মাত্র দুবার প্রকাশ্যে কেঁদেছেন তিনি। প্রথমবার বাবার মৃত্যুর পর। দ্বিতীয়বার কেঁদেছেন কয়েক দিন আগে, যখন বাপ্পারাজ তাঁকে জানান যে তিনি
চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। সভাপতি পদে বাপ্পারাজের প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্তে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন। বাপ্পারাজের এই ঘোষণার পর মুক্তি বাড়িতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন, যা তার জীবনে দ্বিতীয়বার প্রকাশ্যে কান্না। তিনি জানান, বাবার মৃত্যুর পর এই প্রথম তিনি এমনভাবে কেঁদেছেন। বাপ্পারাজ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
বাপ্পারাজের সরে দাঁড়ানোর পর, মুক্তি ও তার প্যানেল সভাপতি পদের জন্য নতুন প্রার্থীর সন্ধান শুরু করে। শেষ পর্যন্ত, ফাইট ডিরেক্টর আরমানকে সভাপতি পদে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আরমান দীর্ঘদিন ধরে প্যানেল সাজানোর কাজে যুক্ত ছিলেন এবং ভোটারদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই তাকে এই পদে নির্বাচন করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারকাদের এই আবেগপ্রবণ পরিস্থিতি চলচ্চিত্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং শিল্পীদের পারস্পরিক সম্পর্কের একটি চিত্র তুলে ধরে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →