ফেসবুক লাইভে এসে বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ কলেজশিক্ষকের
টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎ বিভাগের করা মামলায় আত্মগোপনে থাকা এক কলেজশিক্ষক ফেসবুক লাইভে এসে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার ও বকেয়া বিলের কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার বেলা একটার দিকে প্রায় ২০ মিনিটের একটি ফেসবুক লাইভে এসে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন উপজেলার বড়চওনা-কুতুবপুর কলেজের প্রভাষক সারোয়ার আলম।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক কলেজশিক্ষক বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এনেছেন। তিনি ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। শিক্ষক সারোয়ার আলমের অভিযোগ, ঘুষ দাবির ঘটনায় জিডি করার পর তাকে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগে এক লাখ ৩০ হাজার টাকার মামলায় ফাঁসানো হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৭০ দিন কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও, তার মায়ের নামে থাকা মিটারের বিপরীতে আরেকটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এবং এই মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চেয়েছেন।
তবে, বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, সারোয়ার আলম দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও বিল পরিশোধ করেননি। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বকেয়া বিল পরিশোধ করলে সারোয়ার আলমের কোনো সমস্যা হবে না এবং তাকে পালিয়ে থাকতে হবে না।
বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে শিক্ষকের আত্মগোপনে যাওয়া জনমনে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →