তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের হামলা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
তেহরান ও ইসফাহানে ইসরায়েলের হামলা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ

ইরানে ইসরায়েলের হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু তেহরান। কারণ, শহরটি ইরানের রাজধানী এবং এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা রয়েছে, বিশেষ করে শহরের পশ্চিমাংশে। ওই এলাকায় অসংখ্য সামরিক ব্যারাক, সামরিক স্থাপনা এবং প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির আগে টানা ৪০ দিন ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। ৪০ দিনের ওই যুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই তেহরানে হামলা হয়েছে, ইসফাহানও প্রায় একই রকমভাবে আক্রান্ত হয়

ইসরায়েল কর্তৃক তেহরান ও ইসফাহানে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান ইরানের কৌশলগত সক্ষমতার ওপর একটি বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজধানী তেহরানে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পকারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের দীর্ঘপাল্লার হামলার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। অন্যদিকে, ইসফাহান শহরটি পারমাণবিক গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে উভয় দেশের সংঘাতের অন্যতম প্রধান রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ইরানকে একটি কঠোর বার্তা দিতে চেয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডের যেকোনো স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত হানার সামর্থ্য ইসরায়েলি বাহিনীর রয়েছে। যদিও ইরান পাল্টা জবাবে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে সীমিত হামলা চালিয়েছে, তবে উভয় পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

এই সংঘাত ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতার এক নতুন ও বিপজ্জনক অধ্যায় উন্মোচন করেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön