খেলা শুরুর বাঁশি বাজলেই আমাকে ডেকে তুলবে

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
খেলা শুরুর বাঁশি বাজলেই আমাকে ডেকে তুলবে

আর মাত্র তিন দিন। এরপরই পর্দা উঠবে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ—ফুটবল বিশ্বকাপের। সেই উপলক্ষে বিশ্ব মেতে উঠেছে ফুটবল উন্মাদনায়। চারদিকে শুরু হয়ে গেছে তর্কবিতর্ক, কোন দল সেরা আর কার হাতে উঠবে সোনালি ট্রফি। এই তুমুল ব্যস্ততা আর উত্তেজনার মধ্যে মনটা হুট করেই ডুব দেয় অতীতে, শৈশবের সোনালি দিনগুলোতে। তখন বিশ্বকাপ আসা মানেই ছিল অন্য রকম এক কর্মব্যস্ততা। খেলা শুরুর মাসখানেক আগে থেকেই চলত জমানো টাকা দিয়ে প্রিয় দলের পতাকা কেনার ধুম। কার বাড়ির ছাদে কত বড় পতাকা উড়ছে, তা নিয়ে চলত অলিখিত এক প্রতিয

ফুটবল বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়লে আজও শৈশবের সোনালি দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। তখন বিশ্বকাপ মানেই ছিল পাড়া জুড়ে পতাকা টাঙানোর প্রতিযোগিতা, প্রিয় খেলোয়াড়দের পোস্টার সংগ্রহ আর ডায়েরিতে ম্যাচের সময়সূচি লিখে রাখা। স্মার্টফোনের যুগে এখন হাই-ডেফিনিশন পর্দায় খেলা দেখা গেলেও, সেই সময়ের যৌথ আনন্দের অভাব স্পষ্ট। গভীর রাতে পরিবারের সাথে সিআরটি টিভির সামনে বসে খেলা দেখার রোমাঞ্চ এবং প্রিয় দলের গোলে পাড়াশুদ্ধ চিৎকার করার স্মৃতি আজও অমলিন। প্রযুক্তির উৎকর্ষ বাড়লেও শৈশবের সেই নিষ্পাপ আবেগ ও বন্ধুদের সাথে কাটানো আড্ডার জায়গাটি আর কিছু পূরণ করতে পারে না। নতুন বিশ্বকাপ সামনে রেখে আবারও উন্মাদনা শুরু হলেও, পুরনো সেই স্মৃতির আবেদন আজও হৃদয়ে গেঁথে আছে।

বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া শৈশবের আবেগ ও সামাজিক মেলবন্ধনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে এই লেখায়।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön