স্কুলকে শিক্ষাবান্ধব করার উপায়
অর্থবহ বা মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য স্কুলকে গড়ে তুলতে হবে শিক্ষার্থীদের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে। শিক্ষার্থীদের কাছে স্কুল হতে হবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা। কিন্তু ইদানীং দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা দিন দিন স্কুলবিমুখ হয়ে পড়ছে। স্কুলে না যাওয়া বা স্কুল পালানোটা এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। এতে করে বেড়ে যাচ্ছে তাদের প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং–নির্ভরতা। অভিভাবকদের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসছে বাড়তি খরচের এক ভয়াবহ বোঝা। এর কারণ কী? এর পেছনে অনেক বিষয় জড়িত। সামাজিক অস্থিরতা, মূল্
শিক্ষার্থীদের স্কুলবিমুখতা বর্তমান সময়ের একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে তারা কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির পেছনে সামাজিক অস্থিরতা ও মাদকের প্রভাবের পাশাপাশি স্কুল ব্যবস্থাপনা ও পাঠদান পদ্ধতির ত্রুটিগুলোকেও দায়ী করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পুনরায় বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহী করতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি স্কুলের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থাকলে অর্থের অপচয় রোধের পাশাপাশি একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। এছাড়া শ্রেণিকক্ষকে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং দক্ষ ও অনুপ্রেরণাদায়ক শিক্ষক নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রক্সি ক্লাসের জন্য বিকল্প শিক্ষক নিয়োগের মতো আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হয়।
শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করার মাধ্যমে তাদের কোচিং-নির্ভরতা কমিয়ে একটি আনন্দময় ও কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →