স্বাস্থ্য খাত নয়, স্বাস্থ্য হোক রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার
একসময় আমাদের স্বাস্থ্য খাতের বড় রূপকল্প বা ভিশন ছিল ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা’ (ইউএইচসি) নিশ্চিত করা। ২০৪১ সালের ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ পরিকল্পনার আলোচনাতেও এ লক্ষ্য বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল কথা—দেশের প্রতিটি নাগরিক আর্থিক সংকটে না পড়ে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পাবেন; যখন যেখানে প্রয়োজন, ঠিক তখনই পাবেন। কিন্তু বাস্তবতা কী? আমাদের স্বাস্থ্য খাতের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এখানে ‘পিস-
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত দীর্ঘকাল ধরে বিচ্ছিন্ন এবং অপরিকল্পিত উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীল, যা সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিপুল বাজেট ও অবকাঠামো নির্মাণ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের চিকিৎসার ব্যয় কমেনি এবং সেবার মান নিয়ে আস্থার সংকট রয়েই গেছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে স্বাস্থ্য খাতকে একক মন্ত্রণালয়ের গণ্ডি থেকে বের করে রাষ্ট্রের সামগ্রিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি। একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভৌগোলিক ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ৩০ মিনিটের দূরত্বে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, স্বাধীন মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ওষুধের গুণগত মান কঠোরভাবে তদারকি করা প্রয়োজন। এছাড়া, রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। স্বাস্থ্য খাতের এই আমূল রূপান্তর কেবল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সম্ভব নয়, বরং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমেই প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব।
দেশের স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে একটি সমন্বিত ও রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক মহাপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরাই এর মূল উদ্দেশ্য।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →