মধ্যপ্রাচ্যে অস্থির সময় পার করছেন মার্কিন সেনারা
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দেওয়ার পর ইতিমধ্যে ১৪ সপ্তাহ পার হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী এখন এক অদ্ভুত সংঘাতময় পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতি পূর্ণাঙ্গ কোনো যুদ্ধ নয়, আবার একে শান্তিও বলা যায় না। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বিভিন্ন বন্দর অবরোধ করে রেখেছে। ফলে প্রায় কয়েক দিন পরপর ইরানি বাহিনীর সঙ্গে মার্কিন সেনাদের গুলিবিনিময় হচ্ছে। দেশে
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী বর্তমানে এক অনিশ্চিত ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বা শান্তি—কোনোটিরই সংজ্ঞায় পড়ে না। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ এবং নিয়মিত গুলিবিনিময়ের কারণে এই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাদের সার্বক্ষণিক সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে হচ্ছে। পেন্টাগন একদিকে যেমন গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্রের মজুত বাড়াতে তৎপর, অন্যদিকে সেনাদের মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতির বিষয়টিও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বারবার মোতায়েনের মেয়াদ বাড়ানোয় সেনাদের পরিবারগুলো চরম উদ্বেগের মধ্যে সময় কাটাচ্ছে। এছাড়া, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় আহত সেনাদের পুনর্বাসন ও তাদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। মার্কিন নীতিনির্ধারকরা এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি বজায় রেখেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা মার্কিন সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা এবং সেনাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →