ফিরছিলেন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে, পথে পুলিশ মুঠোফোন খুলে তল্লাশি করল, আইন কী বলে
আবির মাহমুদ জাকারিয়া (২৭) পেশায় আইনজীবী, থাকেন রাজধানীর হাতিরপুল এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় তিনি এক স্বজনের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ধানমন্ডি। ফিরতে ফিরতে রাত সাড়ে ১২টা বেজে যায়। বাসায় ফেরার পথে ইস্টার্ন প্লাজার কাছে পৌঁছালে টহল পুলিশের একটি দল আবিরের পথ রোধ করে। সেই সময় পুলিশের একজন উপপরিদর্শক (এসআই) আবিরকে জিজ্ঞেস করেন, ‘এত রাতে কোথা থেকে ফিরছেন?’ আবির আমন্ত্রণপত্র দেখিয়ে জানান, বিয়ের অনুষ্ঠানে ধানমন্ডিতে গিয়েছিলেন। এরপরও ওই এসআই আবিরের দেহ তল্লাশি করেন। এরপর
সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় এক আইনজীবীর মুঠোফোন পুলিশের তল্লাশির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভুক্তভোগী ওই আইনজীবী জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে পুলিশ তাকে থামিয়ে কেবল দেহ তল্লাশিই নয়, বরং তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনটিও পরীক্ষা করতে চায়। নিরাপত্তার অজুহাতে পুলিশ প্রায়ই সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ছবি, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা ও ফেসবুক প্রোফাইল যাচাই করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে তল্লাশির দৃশ্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা মানুষের গোপনীয়তার অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে। অপরাধবিজ্ঞানীদের মতে, সংবিধান ও প্রচলিত আইনে পুলিশের এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কোনো বৈধ ভিত্তি নেই। নাগরিকরা মনে করছেন, ব্যক্তিগত ডিভাইসে পুলিশের এই অবাধ হস্তক্ষেপ তাদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
পুলিশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত মুঠোফোন তল্লাশির বিষয়টি নাগরিক অধিকার ও গোপনীয়তা রক্ষার আইনি সীমানা নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →