জাতিগত বৈষম্য: বাজেট যেন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংবেদনশীল হয়
বাজেট নিয়ে অনেক কথা বলেছি অতীতে। সামান্য কিছু কাজ হয়েছে। প্রান্তিক অনগ্রসর মানুষ আর জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরিখে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছিল উপেক্ষা আর নিদারুণ অবহেলা। এখন নতুন সরকার দেশে, যারা একটি ‘ঐক্যবদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্প্রীতিমূলক’ জাতি গড়ার অঙ্গীকার করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ধর্ম, অঞ্চল, নৃগোষ্ঠীগত পরিচয়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণি ও গোষ্ঠীর নাগরিককে একসূত্রে গেঁথে একটি বৈচিত্র্যময়
নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা, আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রান্তিক, অনগ্রসর ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকার ও উন্নয়নের প্রতিফলন ঘটবে। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাজেটে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। মহাশ্বেতা দেবীর দর্শনের আলোকে লেখক মনে করেন, সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ ছাড়া কোনো জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার এই সময়ে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এসডিজির মূলমন্ত্র 'কাউকে পেছনে ফেলে নয়'—এই নীতি অনুসরণ করে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীসহ সকল প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহনশীলতার মাধ্যমে একটি বৈচিত্র্যময় ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।
একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও বাজেটে তাদের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →