নেতানিয়াহু কেন ট্রাম্প ও ইরানের চুক্তি বানচাল করে দিতে চান
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার। সম্প্রতি তাঁর লক্ষ্য হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য ‘সহযোগিতা স্মারক’ স্বাক্ষর করা থেকে বিরত রাখা। এটা নস্যাৎ করতে তিনি রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক, গণমাধ্যম, লবিংসহ সব হাতিয়ারই ব্যবহার করবেন। ‘চূড়ান্ত বিজয়ের’ প্র
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে নিজের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য ইরান নীতিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি মনে করেন, সামরিক শক্তির পূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমেই কেবল আঞ্চলিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব, তাই যেকোনো কূটনৈতিক সমঝোতাকে তিনি প্রত্যাখ্যান করছেন। গাজা থেকে ইরান পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা বর্তমান সংঘাতগুলোকে তিনি বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখছেন। তবে এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব এখন মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের নিজস্ব সমর্থক গোষ্ঠীর একাংশ এবং প্রভাবশালী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এখন বিদেশি যুদ্ধে মার্কিন সম্পদ ও জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ট্রাম্পের জন্য নেতানিয়াহুর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা আগের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতা বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন প্রভাবের সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে, যা ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
নেতানিয়াহুর যুদ্ধনীতি এবং ট্রাম্পের ইরান বিষয়ক কৌশলের মধ্যকার এই টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি এবং মার্কিন অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →