পথে মুঠোফোন তল্লাশি পুলিশের, আইন কী বলে
চলতি পথে নাগরিকদের দেহ, মুঠোফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা-পোস্ট পুলিশের তল্লাশি করে দেখাটা দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, মুঠোফোনের মাধ্যমে মানুষের নিত্যদিনের যোগাযোগ ঘটে। তথ্য সংরক্ষণ ও নানান ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য থাকে মুঠোফোনে। ফলে মুঠোফোন তল্লাশির নামে মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অনুমোদন নেই সংবিধান ও প্রচলিত
আইন ও অপরাধবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের মতে, রাস্তায় সাধারণ মানুষের দেহ বা মুঠোফোন তল্লাশি করা দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী। মুঠোফোন মানুষের ব্যক্তিগত যোগাযোগের একটি মাধ্যম, যেখানে প্রচুর গোপনীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকে। তাই কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ বা আদালতের পরোয়ানা ছাড়া এই ধরনের তল্লাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের বিশেষজ্ঞ রেজাউল করিম সোহাগের ভাষ্যমতে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এমন কর্মকাণ্ড ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার সাংবিধানিক নিশ্চয়তাকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। সাধারণ নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নে পুলিশের তল্লাশি কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে জনমনে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →