বিশ্বযুদ্ধের দামামায় ইতালির বিশ্বজয়

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
বিশ্বযুদ্ধের দামামায় ইতালির বিশ্বজয়

১৯৩৮ বিশ্বকাপ যত ঘনিয়ে আসছিল, তত গুমোট হচ্ছিল ইউরোপের অবস্থান। ত্রিশের দশকের শুরু থেকেই ইউরোপে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঘটে, একদিকে অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানি, অন্যদিকে ফ্যাসিজমের জনক বেনিতো মুসোলিনির ইতালি। দুজনের মিলিত শক্তির ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত পুরো ইউরোপবাসী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজল বলে। ঠিক সেই সময়েই শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে ফ্রান্সে শুরু হলো তৃতীয় বিশ্বকাপের যাত্রা। ১৯৩৪ ইতালি বিশ্বকাপ ও ১৯৩৬ বার্লিন অলিম্পিক—বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুটি ক্রীড়া ইভেন্টই ছিল নানা

১৯৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল যখন ইউরোপে ফ্যাসিবাদের উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পদধ্বনি স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। ফিফা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত দেশ হিসেবে ফ্রান্সকে আয়োজক হিসেবে বেছে নেয়, যা জুলে রিমের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে। তবে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে এই আসর বর্জন করে। টুর্নামেন্টের ঠিক আগে হিটলার অস্ট্রিয়া দখল করলে অস্ট্রিয়ান দল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় এবং কিছু খেলোয়াড়কে জার্মানির হয়ে খেলতে বাধ্য করা হয়। ১৬ দলের এই আসরে শেষ পর্যন্ত ১৫টি দেশ অংশ নেয়, যেখানে প্রথমবারের মতো এশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়া (তৎকালীন ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ) খেলার সুযোগ পায়। ইতালির তৎকালীন শাসক মুসোলিনি এই টুর্নামেন্টকে নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও আধিপত্য প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন।

১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপটি কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট ছিল না, বরং এটি তৎকালীন উত্তপ্ত বিশ্বরাজনীতি, ফ্যাসিবাদী প্রভাব এবং যুদ্ধের ছায়ায় ক্রীড়াঙ্গনের টিকে থাকার এক ঐতিহাসিক দলিল।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön