আপনি ঠিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন তো? জানুন এর গুরুত্ব ও সঠিক নিয়ম
অনেকেই ভাবেন, শ্বাসপ্রশ্বাস তো স্বাভাবিক ব্যাপার। চোখের পলক যেমন আপনা–আপনি পড়ে, শ্বাসপ্রশ্বাসও নিজে নিজেই চালিত হয়। কিন্তু একটু বদ্ধ কোনো জায়গায় গেলে, কিংবা সামান্য সর্দি-কাশি হলেই বোঝা যায়, শ্বাসপ্রশ্বাস আপনা–আপনি হয় না। বরং এটাকে ঠিক রাখতে হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, সুস্থ সবল প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ায় থাকতে পারে বড় ধরনের ত্রুটি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘ডিসফাংশনাল ব্রিদিং’। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, সুস্থ সবল প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়া
শ্বাসপ্রশ্বাস একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া হলেও, অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অজান্তেই ভুল পদ্ধতিতে শ্বাস নেওয়ার সমস্যায় ভোগেন, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘ডিসফাংশনাল ব্রিদিং’ বলা হয়। ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত, যা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। ঘরে বসেই এক হাত বুকে ও অন্য হাত পেটে রেখে শুয়ে শ্বাস নেওয়ার পদ্ধতি পরীক্ষা করে নিজের শ্বাসপ্রশ্বাসের ধরন যাচাই করা সম্ভব। যদি শ্বাস নেওয়ার সময় পেট না ফুলে বুক বা কাঁধের নড়াচড়া বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাস নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি রয়েছে। ভুল পদ্ধতিতে শ্বাস নেওয়ার ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি, অনিদ্রা, বিষণ্নতা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি বা ঘাড় ও কাঁধে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের কারণেও শ্বাসপ্রশ্বাসের স্বাভাবিক ছন্দ বিঘ্নিত হয়, যা শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সঠিক শ্বাসপ্রশ্বাস সবসময় ধীর, শান্ত এবং নাক দিয়ে হওয়া উচিত, যা শরীরের ডায়াফ্রাম পেশিকে সঠিকভাবে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।
সঠিক শ্বাসপ্রশ্বাস শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →