বিশ্বকাপে বজ্রপাত আর বজ্রঝড়: যখন ফিফার চেয়েও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শক্তিশালী
এবার বিশ্বকাপে সব দলের কমন প্রতিপক্ষের নাম আবহাওয়া। উত্তর আমেরিকার গ্রীষ্মের আবহাওয়া বিশ্বকাপের ছন্দও বদলে দিতে পারে। কারণ, বিশ্বকাপের ম্যাচ আছে—এমন অনেক শহরে এ সময় বজ্রঝড়ের ভরা মৌসুম। আর যুক্তরাষ্ট্রে আবহাওয়ার কারণে খেলা বন্ধ হওয়া খুবই সাধারণ বিষয়। দুই বছর আগে অরল্যান্ডোতে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম বার্সেলোনার প্রীতি ম্যাচসহ বেশ কিছু প্রাক্-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচ লম্বা সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। তাহলে বিশ্বকাপে এমন কিছু হলে কী হবে ফিফার নিয়ম কী বলে আসলে ফিফার নিজস্ব কোনো নিয়ম এখানে ন
২০২৬ বিশ্বকাপে উত্তর আমেরিকার গ্রীষ্মকালীন বৈরী আবহাওয়া ও বজ্রঝড় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিফার নিজস্ব কোনো নীতিমালা না থাকায় আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের ৮ মাইলের মধ্যে বজ্রপাত শনাক্ত হলে খেলা স্থগিত করা বাধ্যতামূলক। এতে করে ম্যাচের সময়সূচি ও দর্শক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আয়োজকদের জন্য জটিল হয়ে উঠতে পারে।
যদি কোনো ম্যাচ মাঝপথে স্থগিত করতে হয়, তবে ফিফার নিয়ম অনুযায়ী তা পরবর্তী সময়ে পুনরায় শুরু করা হবে এবং খেলাটি ঠিক যে মিনিটে বন্ধ হয়েছিল সেখান থেকেই বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে। আটলান্টা, মায়ামি ও ডালাসের মতো শহরগুলো ঝড়ের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকলেও কিছু স্টেডিয়ামের ছাদ থাকায় সেখানে প্রভাব কিছুটা কম হতে পারে। বিশেষ করে নকআউট পর্বের ম্যাচে এই ধরনের অনিশ্চয়তা বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে আবহাওয়াজনিত অনিশ্চয়তা ও ফিফার কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা টুর্নামেন্টের সূচি এবং ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →