উত্তর কোরিয়া সফরে কেন গেলেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি
চীনের নেতা সি চিন পিংয়ের জন্য উত্তর কোরিয়া এমন এক প্রতিবেশী, যাকে চীন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আবার দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতেও চায় না। দুটি দেশ প্রায়ই তাদের সম্পর্ককে ‘রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠা’ বলে উল্লেখ করে, যা কোরিয়া যুদ্ধের সময়কার তাদের যৌথ ইতিহাসের প্রতি ইঙ্গিত করে। চীন তার সীমান্তে স্থিতিশীলতা ও পিয়ংইয়ংয়ের ওপর প্রভাব চায়। তবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে উদ্ভূত সংকটে জড়িয়ে পড়তে চায় না। দুই দিনের সফরে আজ সোমবার উত্তর কোরিয়া গেছেন সি চিন
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সাম্প্রতিক উত্তর কোরিয়া সফর আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বেইজিংয়ের প্রভাব বজায় রাখার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও, বর্তমানে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর ক্রমবর্ধমান সামরিক ঘনিষ্ঠতা চীনকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে উত্তর কোরিয়ার গোলাবারুদ সরবরাহ এবং দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চীন চায় না উত্তর কোরিয়ার ওপর তাদের দীর্ঘদিনের প্রভাব হ্রাস পেয়ে রাশিয়ার আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই এই সফরের মাধ্যমে সি চিন পিং কিম জং-উনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং উত্তর কোরিয়ার ওপর বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে চাইছেন। বিশ্বমঞ্চে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই চীনের মূল লক্ষ্য।
রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক জোটের মুখে চীনের এই সক্রিয়তা আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →