প্রথমবারের মতো মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী
মহাবিশ্বের অসীম ও অজানা রহস্য উন্মোচনের জন্য যুগের পর যুগ ধরে মহাকাশে পাড়ি জমাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের নভোচারীরা। তবে এত দিন পর্যন্ত নভোচারী হওয়ার পথটি শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ছিল একপ্রকার অসম্ভব বিষয়। এবার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে অসীম মহাশূন্যে যাওয়ার পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান এবং সার্জন জন ম্যাকফল। পৃথিবীর কক্ষপথে বসবাস করা প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী হতে যাচ্ছেন তিনি। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির নভোচারী রিজার্ভের একজন সদস্য জন ম্যাক
ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান ও অর্থোপেডিক সার্জন জন ম্যাকফল মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচনার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি বিশ্বের প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী হিসেবে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আগামী বছর ‘হ্যাভেন-১’ স্পেস স্টেশনে দুই সপ্তাহের এই মিশনে তিনি মাইক্রোগ্র্যাভিটির পরিবেশে কৃত্রিম অঙ্গের কার্যকারিতা ও মানবদেহের ওপর মহাকাশের প্রভাব নিয়ে কাজ করবেন। ১৯ বছর বয়সে এক দুর্ঘটনায় পা হারানো ম্যাকফল বেইজিং প্যারাঅলিম্পিকে পদক জয়ের পর চিকিৎসা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। এখন তিনি মহাকাশে তার এই অভিযাত্রাকে কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন। তার এই মিশন ভবিষ্যতে উন্নত ও আরামদায়ক কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির পাশাপাশি হাড় ও পেশির জটিল রোগ বুঝতে বিজ্ঞানীদের সহায়তা করবে।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে মহাকাশ গবেষণায় জন ম্যাকফলের এই অংশগ্রহণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →