সাহাবি খুজায়মার একটি সাক্ষ্যের মূল্য
ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী অনেক ক্ষেত্রেই কোনো আইনি বা সামাজিক বিষয়ে সত্যতা প্রমাণের জন্য দুজন পুরুষের সাক্ষ্য আবশ্যক করা হয়েছে। কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে এমন একজন মহান সাহাবি আছেন, যাঁর একার সাক্ষ্যকেই স্বয়ং মহানবী (সা.) দুজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমতুল্য ঘোষণা করেছিলেন। তিনি হলেন খুজায়মা ইবনে সাবিত (রা.)। ইতিহাসে তিনি ‘জুশ-শাহাদাতাইন’ বা ‘দুই সাক্ষ্যের অধিকারী’ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। এক অনন্য উপাধির প্রেক্ষাপট হজরত খুজায়মার এই অনন্য মর্যাদা ও উপাধি লাভের পেছনে একটি চমৎকার ঘটন
ইসলামি ইতিহাসের বিশিষ্ট সাহাবি খুজায়মা ইবনে সাবিত (রা.) তাঁর অটল বিশ্বাস ও সত্যনিষ্ঠার জন্য 'জুশ-শাহাদাতাইন' বা দুই সাক্ষ্যের অধিকারী উপাধিতে ভূষিত হন। মহানবী (সা.)-এর সাথে এক বেদুইনের ঘোড়া কেনাবেচার সময় সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে তিনি উপস্থিত না থেকেও কেবল নবীর সত্যতার ওপর আস্থা রেখে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। তাঁর এই গভীর ঈমান ও প্রজ্ঞায় সন্তুষ্ট হয়ে রাসুল (সা.) ঘোষণা করেন যে, খুজায়মার একার সাক্ষ্য দুজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমান গণ্য হবে। পরবর্তীকালে এই বিশেষ মর্যাদাই পবিত্র কোরআন সংকলনের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খলিফা আবু বকরের শাসনামলে কোরআন সংকলনের সময় সুরা আহজাবের একটি আয়াতের লিখিত প্রমাণ কেবল খুজায়মার কাছেই পাওয়া গিয়েছিল। তাঁর বিশেষ আইনি মর্যাদার কারণে সেই আয়াতটি মূল মাসহাফে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়, যা উম্মাহর জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি ছিল।
খুজায়মা ইবনে সাবিত (রা.)-এর এই অনন্য মর্যাদা ও সাক্ষ্য কেবল আইনি নজিরই স্থাপন করেনি, বরং পবিত্র কোরআনের অখণ্ডতা রক্ষায় ও সংকলন প্রক্রিয়ায় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছিল।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →