বাঘ ও বাঘিনীর প্রেম
প্রকৃতিতে প্রেম যেমন সুন্দর, তেমনি কখনো তা হয়ে ওঠে প্রাণঘাতী। জাতীয় চিড়িয়াখানায় বাঘিনী ‘জুঁই’-এর মর্মান্তিক মৃত্যু সামনে নিয়ে এসেছে বাঘের প্রজনন কৌশলের এক অজানা ও নিষ্ঠুর অধ্যায়। ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় গত ৪ জানুয়ারি বাঘ দম্পতি বেলি–টগর চারটি বাচ্চা জন্ম দিয়েছে। খবরটি অতি সম্প্রতি সামনে এসেছে। চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেলি গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে টগরকে আলাদা রাখা হয়েছে। বাচ্চা জন্মের পরও টগর আলাদা আছে। স্ত্রী বাঘ গর্ভবতী হওয়ার পর পুরুষ বাঘের আর বিশেষ কর্তব্য থাকে না।
সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় কসমস নামক পুরুষ বাঘের কামড়ে জুঁই নামের এক বাঘিনীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রজনন প্রক্রিয়ার সময় পুরুষ বাঘের আক্রমণাত্মক আচরণের কারণে বাঘিনীর শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু ঘটে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের প্রতিষ্ঠানে বাঘের আক্রমণে বাঘিনীর মৃত্যুর প্রথম ঘটনা। বাঘ সাধারণত একা থাকতে পছন্দ করে এবং কেবল প্রজনন ঋতুতেই একে অপরের সংস্পর্শে আসে। মিলনের সময় পুরুষ বাঘের ঘাড় কামড়ে ধরা একটি স্বাভাবিক কৌশল হলেও, সঙ্গী সহযোগিতা না করলে বা বাঘিনী প্রস্তুত না থাকলে এমন সহিংসতা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই কামড় বাঘিনীকে স্থির রাখা এবং ডিম্বস্ফোটন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয়, তবে জুঁইয়ের ক্ষেত্রে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল।
ঘটনাটি বাঘের মতো সলিটারি বা এককভাবে বসবাসকারী প্রাণীদের প্রজননকালীন জটিল আচরণ এবং চিড়িয়াখানায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →