১০ বছর নিষিদ্ধ ছিলাম, শ্রীলেখার ক্ষোভ
টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে কানাঘুষা ছিল ক্ষমতা, প্রভাব আর ‘সিন্ডিকেট’ নিয়ে। তবে সেসব অভিযোগ খুব কমই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার সেই নীরবতার দেয়ালে বড় ধরনের ফাটল ধরালেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। টলিউডের প্রভাবশালী সংগঠক ও প্রযোজক স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি একাধিক ফেসবুক পোস্টে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্বরূপ বিশ্বাস পশ্চিমবঙ্গের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই। গত বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার টালিগঞ্জ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে কথিত চাঁদাবাজ
টলিউডের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারের পর অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এক মেকআপ শিল্পীর তোলা চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রেক্ষিতে শ্রীলেখা দাবি করেছেন, টলিউডে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সিন্ডিকেট সংস্কৃতি নতুন কিছু নয়। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, স্বরূপ বিশ্বাস একা নন, বরং পুরো ব্যবস্থাই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অভিনেত্রী দাবি করেছেন, স্পষ্টবাদী হওয়ার কারণে গত দশ বছর তাঁকে টলিউডে কার্যত নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রভাব ও কিছু শিল্পীর যোগসাজশে তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। স্বরূপ বিশ্বাসের গ্রেপ্তারের ঘটনাটি এখন টলিউডের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার রাজনীতি ও কাজের সুযোগ নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
টলিউডের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং এর ফলে শিল্পীদের কাজের সুযোগ ও ক্ষমতার রাজনীতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা চলচ্চিত্র অঙ্গনের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →