কাঁঠাল নিয়ে মজার স্মৃতি
কাঁঠাল আমার খুব প্রিয় ফল। শুধু প্রিয় ফল বললে ভুল হবে—কাঁঠাল যেন আমার জীবনের সঙ্গেই মিশে আছে। ছোটবেলা থেকে কাঁঠালের প্রাচুর্যের মধ্যেই বড় হয়েছি। কখনো নিজের বাড়ির গাছের কাঁঠাল, কখনো আবার নানাবাড়ির উঠানজোড়া কাঁঠালগাছ। শুরু করি নানাবাড়ির গল্প দিয়ে। আমার নানাজান ছিলেন এলাকার প্রভাবশালী মানুষ। তাঁর বাড়িটি ছিল টিনের তৈরি। সামনে লম্বা বারান্দা, বারান্দার খোপে খোপে শত শত কবুতর। নানিজান খুব শখ করে কবুতর পুষতেন। কবুতরের খাবারের জন্য মাটির বড় বড় মটকিতে ধান জমিয়ে রাখা হতো। নানাজানের মতো এ
ছোটবেলায় নানাবাড়ির বিশাল কাঁঠালগাছ আর পারিবারিক ঐতিহ্যের সুবাদে কাঁঠালের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা তৈরি হয় লেখকের। নানাজানের পাঠানো নৌকাভর্তি কাঁঠাল থেকে শুরু করে শৈশবের বন্ধুদের সাথে রাতের আঁধারে কাঁঠাল চুরি করার রোমাঞ্চকর স্মৃতিগুলো আজও অমলিন। মুড়ি আর কাঁঠালের সেই উৎসবের স্বাদ ছিল অতুলনীয়, যা গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবনের এক অনন্য অংশ। বড় হওয়ার পর সেই শৈশবের দুষ্টুমি আর চুরির কথা স্বীকার করে ভুক্তভোগী প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন লেখক। মূলত, কাঁঠালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই স্মৃতিগুলো কেবল ফলের স্বাদ নয়, বরং ফেলে আসা সোনালী সময়ের এক আবেগঘন দলিল।
এই লেখাটি গ্রামবাংলার চিরায়ত শৈশব, সামাজিক বন্ধন এবং কাঁঠালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক বিশেষ সংস্কৃতির নস্টালজিক চিত্র তুলে ধরে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →