বিশ্বকাপে ফুটবলাররা কী করতে পারবেন, আর কী পারবেন না
বিশ্বকাপ ফুটবল মানে তো শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, এর বাইরেও জড়িয়ে থাকে হাজারো নিয়মকানুন। ফিফা, আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি), বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থার (ওয়াদা) কড়া নজরদারিতে থাকতে হয় ফুটবলারদের। চলুন দেখে নেওয়া যাক, বিশ্বকাপে মাঠ ও মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের ঠিক কী কী করার স্বাধীনতা আছে, আর কোন কোন জায়গায় রয়েছে কঠোর ‘লক্ষণরেখা’। এই নিয়মকানুনের বেশির ভাগই অবশ্য ফুটবলের মৌলিক বিধিনিষেধ হিসেবে সব সময়ই কার্যকর। জার্সি খোলা বারণ গোল করে আনন্দে মেতে ওঠার চিরায়ত দৃশ্
ফিফা এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাগুলোর কঠোর নিয়মকানুনের অধীনে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রতিটি মুহূর্ত পরিচালিত হয়। মাঠের ভেতরে গোল উদ্যাপনের সময় জার্সি খোলা, অহেতুক ডাইভ দেওয়া বা রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে খেলোয়াড়দের হলুদ বা লাল কার্ডের সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া নিরাপত্তার খাতিরে মাঠে কোনো ধরনের গয়না পরা নিষিদ্ধ, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। খেলোয়াড়দের পোশাক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা উসকানিমূলক বার্তা প্রচার করা কঠোরভাবে দণ্ডনীয়। ডোপবিরোধী নজরদারি অত্যন্ত কড়া হওয়ায় যেকোনো সময় খেলোয়াড়দের নমুনা পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। এছাড়া ফিফার নির্ধারিত মিডিয়া সেশন বা সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক, যা এড়িয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট দলকে বড় ধরনের জরিমানার মুখে পড়তে হয়।
বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়দের আচরণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ফিফার এই নিয়মগুলো মাঠের খেলার মান এবং খেলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে অপরিহার্য।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →