চলমান বাণিজ্যযুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে, ট্রাম্পের কৌশল ভুল
গত বছরের ২ এপ্রিল পাল্টা শুল্ক আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়, যদিও ট্রাম্পের চোখে সেই দিনটি ছিল ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা’ দিবস। সেদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চল থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর পর থেকেই বিভিন্ন দেশ নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু করে। লক্ষ্য—যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা। দক্ষিণ আমেরিকার ম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের নীতি বিশ্বজুড়ে দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করেছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে নতুন করে সাজাতে বাধ্য করছে। ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক কৌশলের ফলে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যিক জোট শক্তিশালী করার দিকে ঝুঁকছে। বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতি চীনের ক্রমবর্ধমান উৎপাদন আধিপত্য এবং কৌশলগত কাঁচামালের ওপর বেইজিংয়ের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গভীর সংকটে রয়েছে। চিপ বা খনিজ সম্পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের সরবরাহ বন্ধ করে চীন প্রতিশোধ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের অস্পষ্ট ও বিশৃঙ্খল বাণিজ্যনীতি এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে ভোক্তাপণ্যের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনকে মোকাবিলায় কেবল শুল্ক আরোপ যথেষ্ট নয়, বরং আরও সুচিন্তিত ও কৌশলগত আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।
বিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা এবং চীনের ওপর একক নির্ভরশীলতা কমিয়ে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে চলমান এই বাণিজ্য সংঘাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →