লিটনের ‘হারানোর কিছু নেই, এখন হয় মারো না হয় মরো’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লিটন দাসের অভিষেক ১০ জুন, ২০১৫। অর্থাৎ আগামী বুধবার লিটনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১১ বছর পূর্ণ হবে। এতটা পথ পাড়ি দিয়ে লিটন এখন কোথায় দাঁড়িয়ে? ৫৪ টেস্টে ৩৬.৪৭ গড়ে ৩৩৫৬ রান, সেঞ্চুরি ৬টি। ১০১ ওয়ানডেতে ৩০.৫৮ গড়ে ২৭৮৩ রান, সেঞ্চুরি ৫টি। ১২২ টি–টুয়েন্টি ম্যাচে ২৩.৪৯ গড়ে ২৭০২ রান, স্ট্রাইক রেট ১২৬.৭৯। লিটনের প্রতিভা ও সামর্থ্যের যে ছটা, সে অনুযায়ী প্রত্যাশিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেননি। এ নিয়ে আক্ষেপ, আলোচনা কিংবা সমালোচনা কম হয় না। তবে সাফল্যও কম এনে দেননি। পাকিস্ত
বাংলাদেশি ব্যাটার লিটন দাস তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের একাদশ বর্ষপূর্তিতে এসে ব্যাটিং দর্শনে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নিজের মানসিকতায় আমূল পরিবর্তন এনেছেন। লিটন এখন আর আউট হওয়ার ভয় নিয়ে খেলেন না, বরং 'হয় মারো, না হয় মরো' এই নীতিতে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিচ্ছেন। তার মতে, ধুঁকে ধুঁকে রান করার চেয়ে সাহসের সাথে খেলে আউট হওয়া অনেক বেশি কার্যকর। এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে তিনি বাংলাদেশ দলের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেছেন। গত দুই বছরে মুশতাকের পরামর্শেই তিনি নেতিবাচক চিন্তা ঝেড়ে ফেলে নির্ভীক মানসিকতা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তন বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপের পারফরম্যান্সে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →