অতিদ্রুত মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ সুগম হবে: সংসদে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ দ্রুত সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের পর বাংলাদেশি কর্মীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া। দেশটির শ্রমবাজার আবার উন্মুক্ত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া আগামী অর্থবছরে প্রায় ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সমস্য খোন্দকার আবু আশফাকের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বৈদেশিক কর্মসংস্থ
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। সৌদি আরবের পর মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার হওয়ায় সরকার এটি পুনরায় সচল করতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়া আগামী অর্থবছরে প্রায় ১৪ লাখ কর্মীকে বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ভুয়া চাহিদাপত্র ও নামমাত্র কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণা রোধে বিদেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে নজরদারি ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮টি দেশের সাথে বাংলাদেশের শ্রম সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক রয়েছে এবং অভিবাসন কূটনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়া এবং বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরাপদ করা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →