ই-জিপিতে ‘ফ্যাসিস্টের লোক’ কাজ পাচ্ছে, ব্যবস্থা চান বিএনপির সংসদ সদস্য
‘ফ্যাসিস্টের লোকেরা’ যাতে ই–জিপিতে (ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট) আসতে না পারে, সে জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা জানতে চেয়েছেন বিএনপির একজন সংসদ সদস্য। এর জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেছেন, এ–সংক্রান্ত আইন পর্যালোচনা করা হবে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নকাজ ও কেনাকাটার জন্য অনলাইনে দরপত্র আহ্বান ও জমা দেওয়ার যে পদ্ধতি, সেটি ই-জিপি নামে পরিচিত। স্বচ্ছতা, সময় সাশ্রয় এবং দুর্নীতি কমানোর লক্ষ্যে ই-জিপি চালু হয়। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোট
জাতীয় সংসদে ই-জিপি প্রক্রিয়ায় বিগত সরকারের সুবিধাভোগী ঠিকাদারদের আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, শক্তিশালী প্রোফাইল ব্যবহার করে এই চক্রটি কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে এবং পরে তা হাতবদল করায় প্রকল্পের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর প্রতিকারে তিনি স্থানীয় ঠিকাদারদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করেন। জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বিষয়টি নিয়ে সরকার উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করেছে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী দেশের বিভিন্ন শহরের খেলার মাঠ ও পার্কগুলো দখলমুক্ত করার দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক মাঠ এখন মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়ায় পরিণত হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অনিরাপদ।
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সামাজিক স্থানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত আলোচনার সূত্রপাত করেছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →