বিগত সরকারের ভুল নীতিতে বাণিজ্যঘাটতি বেড়েছে–সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী
আজ সংসদে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বিগত সরকারের ভুল নীতির ফলে দেশে বাণিজ্যঘাটতি বেড়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্যঘাটতি বৃদ্ধির পেছনে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধজনিত মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, খাদ্য ও শিল্পের কাঁচামালের উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধির ধীরগতির কারণে বাণিজ্যঘটিতি বেড়ে যায়।
জাতীয় সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন যে, বিগত সরকারের ভুল অর্থনৈতিক নীতি এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট ও ডলারের তীব্র অভাবের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় ২ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বেশি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি হলেও নেপাল ও শ্রীলঙ্কার মতো কিছু দেশের সঙ্গে উদ্বৃত্ত বজায় রয়েছে। এছাড়া, দেশের রপ্তানি খাত মূলত তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বহুমুখীকরণের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। চামড়া শিল্পের সক্ষমতা হ্রাস এবং ট্যানারি স্থানান্তরের অব্যবস্থাপনাকেও বাণিজ্য ঘাটতির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা এবং রপ্তানি খাতের সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি নিরসনের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হয়েছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →