স্মৃতির ভেলায় চড়ে শৈশবের বন্ধুদের সঙ্গে স্বপ্নদ্বীপ যাত্রা
বহুদিন ধরে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয় না। পেশাগত জীবনের ব্যস্ততা, নাগরিক কোলাহল আর সাংসারিক জীবনের হাজারো চাপ আমাদের গ্রাস করে নিয়েছে। কতজন যে জীবিকার টানে আজ প্রবাসী। কতজনের সঙ্গে যোগাযোগটাই হারিয়ে গেছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অবাস্তব জগতেও আর খোঁজ মেলে না অনেকের। অথচ একটা সময় ছিল, যখন জীবন এতটা জটিল ছিল না। হৃদয়ের সবটুকু আকুলতাজুড়ে আজ কেবলই মিশে আছে সেই ফেলে আসা দিনগুলো—সেই চেনা ক্লাসরুম, স্কুলের বিশাল সবুজ মাঠ আর মাথার ওপর উন্মুক্ত উদার আকাশ। যেখানে জীবনের শিকড় গ
পেশাগত জীবনের ব্যস্ততা ও নাগরিক জীবনের চাপে হারিয়ে যাওয়া শৈশবের বন্ধুদের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপনের এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন মির্জারচর উচ্চবিদ্যালয়ের ২০০৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে প্রায় আড়াই শ বন্ধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অবস্থিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত 'স্বপ্নদ্বীপ'-এ এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে মিলিত হন। লঞ্চযাত্রার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই আয়োজনটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য যেন এক জাদুর নৌকায় চড়ে অতীতে ফিরে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা ছিল। দ্বীপের শান্ত পরিবেশে পুরোনো সহপাঠীদের সান্নিধ্য পেয়ে সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং শৈশবের সেই চঞ্চল দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে এই কয়েক ঘণ্টার আড্ডা ও খুনসুটি তাদের মনে এক নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চার করেছে। জোছনাভেজা রাতে ফেরার পথে সবাই উপলব্ধি করেন যে, বয়স বাড়লেও মনের ভেতরের সেই কিশোর সত্তাটি আজও অমলিন। ভবিষ্যতে আবারও এমন কোনো মিলনমেলায় মিলিত হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে শেষ হয় এই আনন্দঘন দিনটি।
যান্ত্রিক জীবনের চাপে হারিয়ে যাওয়া সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের পুনর্জাগরণ এবং মানসিক প্রশান্তির ক্ষেত্রে এই ধরনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের গুরুত্ব অপরিসীম।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →