আলোকচিত্রে মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা মানুষদের গল্প
দেশের কারাগারগুলোতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে কনডেমড সেল। সেই কক্ষের অন্ধকার থেকে ফিরে আসার গল্প নিয়ে জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শন কক্ষে শুরু হয়েছে আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা’। ব্যতিক্রমী এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী পর্ব ছিল না। সোমবার বিকেল থেকে দর্শকদের জন্য প্রদর্শনীর দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ড পেয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই করে উচ্চ আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে
জাতীয় জাদুঘরে শুরু হয়েছে আলোকচিত্রী মোশফিকুর রহমান জোহানের একক প্রদর্শনী ‘মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা’। এই প্রদর্শনীতে এমন ১৩ জন ব্যক্তির জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যারা নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর উচ্চ আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে সংগৃহীত শতাধিক আলোকচিত্রের মাধ্যমে কনডেমড সেলের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা, মৃত্যুভয় এবং মুক্তির পরবর্তী জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রদর্শনীর কিউরেটর হাদি উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে কারাগারের ভেতরের পরিবেশ, ফাঁসির মঞ্চ এবং ভুক্তভোগীদের ব্যক্তিগত নথিপত্রও স্থান পেয়েছে। ১৫ জুন পর্যন্ত চলা এই প্রদর্শনীটি বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা ও মিথ্যা মামলার ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে। আগামী ১১ জুন প্রদর্শনী প্রাঙ্গণে ভুক্তভোগী ও আইনজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এই প্রদর্শনীটি বিচারিক প্রক্রিয়ার ত্রুটি, মিথ্যা মামলার শিকার ব্যক্তিদের মানবিক সংকট এবং কনডেমড সেলের বাস্তবতাকে জনসমক্ষে তুলে ধরার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা প্রদান করে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →