স্পর্শ ছাড়াই এটিএম কাজ করে কীভাবে
প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত উন্নত হচ্ছে। আধুনিক এমন ব্যবস্থা আসছে, যা আগে হয়তো কল্পনাও করা যেত না। নতুন নতুন আবিষ্কার পুরোনোকে সরিয়ে সামনের সারিতে স্থান করে নিচ্ছে। প্রথমদিকে এটিএম মেশিনে কার্ড ঢুকিয়ে তারপর কোড লিখতে হতো। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থা এখনো চলছে। এতে সমস্যা হলো মেশিনে বিশেষ ব্যবস্থায় কার্ডরিডার বসিয়ে ও কোড কপি করে জালিয়াতির সুযোগ থাকে। বেশ কয়েকটি জালিয়াত চক্র ধরাও পড়েছে। তাই কার্ড পাঞ্চ করার পরিবর্তে টাচস্ক্রিন ব্যবস্থার প্রবর্তন। স্ক্রিনে আঙুল ছোঁয়ালেই চলে। এখন আধুনিক ব্যবস
প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাথে এটিএম সেবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসছে। প্রচলিত কার্ড পাঞ্চিং পদ্ধতির পরিবর্তে বর্তমানে স্পর্শহীন প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো। নতুন এই ব্যবস্থায় ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহার করা হয়, যা আঙুলের উপস্থিতি শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করতে সক্ষম। ফলে স্ক্রিন বা কিপ্যাডে সরাসরি স্পর্শ করার প্রয়োজন পড়ে না। এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তি মূলত জালিয়াতি রোধে এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। একই ধরনের সেন্সর প্রযুক্তি বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এটিএম জালিয়াতি রোধে এবং স্পর্শহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই উদ্ভাবনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →