ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর ঘুরে দাঁড়ানোর ভেতরের গল্প
গত সপ্তাহে ইসরায়েল ও লেবানন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে একটি চুক্তির ঘোষণা দেয়, যার লক্ষ্য ছিল বিদ্যমান ‘যুদ্ধবিরতি’ নবায়ন করা এবং একটি ‘সমন্বিত’ সমাধানের পথে এগোনো। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও সামরিক অভিযান চলতে থাকলেও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী শুধু হিজবুল্লাহকেই তাদের হামলা বন্ধ করতে হবে। লেবাননের প্রতিরোধ সংগঠনটি দ্রুতই এ আলোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে এবং একে ‘অযৌক্তিক, অপমানজনক ও অবমাননাকর’ বলে আখ্যা দেয়। ১০ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হিজবুল্লাহ দক্ষি
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। সংগঠনটি এই প্রস্তাবকে অপমানজনক হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছে, এটি তাদের ওপর একতরফা শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার শামিল। গত ৭০ দিনের সংঘাতে হিজবুল্লাহ তাদের সামরিক কৌশল ও কমান্ড কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে, যা তাদের আগের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ও নমনীয় করে তুলেছে। বিশেষ করে যোগাযোগব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় কমান্ডের সমন্বয়হীনতা কাটিয়ে উঠে তারা এখন একাধিক ফ্রন্টে সফলভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ড্রোন ও ছোট বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে তারা ইসরায়েলি বাহিনীকে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়যুদ্ধের মুখে ফেলেছে। তবে হিজবুল্লাহর এই ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা এখন কেবল রণক্ষেত্রের সাফল্যের ওপর নয়, বরং লেবাননের ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করছে।
হিজবুল্লাহর সামরিক পুনর্গঠন এবং যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও লেবাননের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →