মহীন কি বনলতা সেনকে খুঁজে পেলেন

📌 Diğer 📰 Prothom Alo (BD) 🕐 2 saat önce
মহীন কি বনলতা সেনকে খুঁজে পেলেন

বাংলা ভাষার সবচেয়ে আলোচিত কবিতাগুলোর একটি ‘বনলতা সেন’। জীবনান্দ দাশের মাত্র আঠারো লাইনের সেই কবিতাকে কেন্দ্র করে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। এমন বহুলচর্চিত কবিতাকে কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণ করা যেমন সাহসের কাজ, তেমনি ঝুঁকিরও। কারণ, দর্শক এখানে শুধু একটি সিনেমা বা গল্প দেখতে আসেন না; সঙ্গে নিয়ে আসেন নিজের কল্পনার জগতের বনলতা সেনকেও। মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের ‘বনলতা সেন’ সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। তবে সিনেমাটিকে শুধু একটি কবিতার রূপান্তর ভাবলে ভ

পরিচালক মাসুদ হাসান উজ্জ্বল জীবনানন্দ দাশের কালজয়ী কবিতা ‘বনলতা সেন’ অবলম্বনে নির্মাণ করেছেন আড়াই ঘণ্টার একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। সিনেমাটি কেবল কবিতার দৃশ্যরূপ নয়, বরং এতে ইতিহাস, স্মৃতি ও সমসাময়িক বাস্তবতার এক জটিল মেলবন্ধন তৈরি করা হয়েছে। গল্পের মূল চরিত্র মহীন একজন দুষ্প্রাপ্য বই বিক্রেতা, যে জীবনানন্দ দাশের মতোই সারাজীবন বনলতা সেনের সন্ধানে মগ্ন থাকে। এই অনুসন্ধানের পথে মহীনের সাথে কবি জীবনানন্দ দাশের কাল্পনিক সাক্ষাৎ ঘটে এবং তারা দুজনেই এক অভিন্ন গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যান। সিনেমায় বনলতা সেন কোনো নির্দিষ্ট নারী চরিত্র নয়, বরং সে প্রেম ও স্মৃতির এক অধরা প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন রূপে বারবার ফিরে আসে। মাসুমা রহমান নাবিলা, খায়রুল বাসার এবং সোহেল মন্ডল তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রগুলোর গভীরতা ও বিষণ্নতা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। ধীরগতির ও প্রতীকী ঘরানার এই সিনেমাটি দর্শকদের কল্পনার বনলতাকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ করে দেয়।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও রহস্যময় কবিতা ‘বনলতা সেন’কে কেন্দ্র করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি সাহিত্য ও সিনেমার মেলবন্ধনের একটি সাহসী ও শৈল্পিক প্রয়াস।

📌 Kaynak

Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.

Orijinal haberi oku →
📱
News AI World — Mobil uygulama
Bu haberleri 45 dilde, anlık çeviriyle cebinde. Erken erişim için Gmail adresini bırak.
← Tüm haberlere dön