১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ, দুই দশকের অপেক্ষা কি ফুরাবে
১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ। এ সময়ে ওয়ানডেতে সাফল্যের রেলগাড়িতে চড়ে অনেকটুকু এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ, পার করেছে কঠিন সময়ও। কিন্তু ওয়ানডেতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়া হয়নি। ২০১১ সালের ওই সিরিজের পর আইসিসির টুর্নামেন্টেও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যে তিনবার দেখা হয়েছে, তার দুটিতে হারতে হয়েছে, একটি ম্যাচ ভেসে গেছে বৃষ্টিতে। অবশ্য শুধু গত দেড় দশকে কেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে ২২ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ই আছে কেবল একটি। কোথায় বা কবে সেই জয়, তা বোধ হয় বাংলাদেশের সমর্থক
দীর্ঘ ১৫ বছরের বিরতির পর ওয়ানডে ফরম্যাটে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘ এই সময়ে বাংলাদেশ দল নিজেদের পারফরম্যান্সে অনেক উন্নতি করলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়াটা বরাবরই কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেসারদের দুর্দান্ত ফর্ম এবং ঘরের মাঠে স্পোর্টিং উইকেটে খেলার সাহস দলটিকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ জানিয়েছেন, আসন্ন বড় টুর্নামেন্টগুলোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা ভালো উইকেটে খেলার পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া দল তাদের বেশ কয়েকজন নিয়মিত তারকাকে ছাড়াই এই সিরিজে অংশ নিতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ হতে পারে। যদিও মিডল অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে, তবুও মোসাদ্দেক হোসেনের দলে ফেরা সেই ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে। দুই দলই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে এবং এই লড়াইটি বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর একটি বড় সুযোগ।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজটি দুই দেশের ক্রিকেটীয় শক্তির লড়াই এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পেস বোলিং বিপ্লবের একটি বড় পরীক্ষা।
📌 Kaynak
Bu özet Prothom Alo (BD) kaynağından otomatik derlenmiştir. Tamamı için orijinal habere gidin.
Orijinal haberi oku →